Roop Pur Neuclear Power Plant Security Assurance

জাপানের ফুকুসিমা ও চেরানোবিল দূর্ঘটনার পর পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারে নিরাপত্তায় উদ্বেগ-উৎকন্ঠা সারাবিশ্বেই। তবে, সেধরণের কোন শংকা নেই, দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রুপপুর এ। এমন নিশ্চয়তা পরমানু বিজ্ঞানীদের। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির জেনারেশন থ্রি প্লাস ভিভিইআর রি-অ্যাক্টর, পরিবেশে তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানো রোধে কোর ক্যাচারসহ…

Roop Pur Neuclear Power Plant Security Assurance

Source

0
(0)

জাপানের ফুকুসিমা ও চেরানোবিল দূর্ঘটনার পর পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারে নিরাপত্তায় উদ্বেগ-উৎকন্ঠা সারাবিশ্বেই। তবে, সেধরণের কোন শংকা নেই, দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রুপপুর এ। এমন নিশ্চয়তা পরমানু বিজ্ঞানীদের। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির জেনারেশন থ্রি প্লাস ভিভিইআর রি-অ্যাক্টর, পরিবেশে তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানো রোধে কোর ক্যাচারসহ বিশ্বমানের নিরাপত্তা গুরুত্ব দিয়েই বাস্তবায়িত হচ্ছে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি। তার থেকেও বড় নিশ্চয়তা হলো, চুক্তি অনুসারে, সকল পরমানু বর্জ্য রাশিয়া ফেরত নিয়ে যাবে।

নিউক্লিয়ার ফিউশনে উৎপন্ন তাপে-টারবাইন ঘুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। প্রধান পারমাণবিক জ্বালানী, ইউরেনিয়াম অক্সাইড।
সেখানে ইউরেনিয়াম টু এ তুলনামূলক কম তেজস্ক্রিয়-আইসোটোপ ইউ-টু থার্টি এইট উপস্থিত থাকে ৯৫ ভাগ। বাদবাকী ইউ-টু থার্টি ফাইভ ১ ভাগ; ১ ভাগ প্লুটোনিয়াম এবং অন্যান্য ফিউশান উপাদান ৩ ভাগ। এগুলোর তেজস্ক্রিয়তা বেশি।

রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ভিভিইআর পরিবারের সর্বশেষ সংস্করণের জেনারেশন থ্রি-প্লাস প্রযুক্তির দুটি ১২ শ প্রেসারাইজড থার্মাল ওয়াটার রিয়্যাক্টর ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি প্রকৃতিক দূর্যোগ বিশেষ করে রিখটার স্কেলের ৯ মাত্রার ভূমিকম্প এমনকি বিমানদূর্ঘটনার মত ঘটনাও আক্ষত থাকবে এমন ভাবে বানানো।

পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায়, বড় ধরণের প্রকৃতিক দূর্যোগেও তেজস্ক্রিয়তা সরাসরি মাটির নীচে নেবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, এই পারমাণবিক স্থাপনায়। পারমাণবিক চুল্লি ঠান্ডা রাখতে থাকবে কুলিং টাওয়ার।

নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনে, প্রতি ১৮ মাস পর পর, পাল্টাতে হবে ফুয়েল রড। ৬০ বছর কার্যক্ষম কেন্দ্রটির পারমাণবিক বর্জ্য নিজ দেশে ফিরিয়ে নেবে, রাশিয়া আর ঝুঁকি কমাতে, দূর্ঘটনা এড়ানোর আন্তর্জাতিক মান রক্ষার শর্তও আছে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে চুক্তিতে।

প্রকল্পটির ভৌত অবকাঠামো নির্মানের কাজ প্রায় শেষের দিকে। প্রথম ইউনিটের মুল যন্ত্র, রিয়্যাক্টর প্রেসার ভেসেল বা চুল্লিপাত্র ও স্টিম জেনারেটর এসে পৌছেছে, রুপপুরে। ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেই বসবে, রিয়্যাক্টর।
পরিকল্পনা মাফিক সব কিছু এগুলে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি র প্রথম ইউনিট উৎপাদনে আসবে, ২০২২ সালে এবং ২০২৩ সালে আসবে দ্বিতীয় ইউনিট। জাতীয় গ্রীডে ২ হাজার ৪শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হলে এর সুফল ভোগ করবে দেশের ৬ কোটি মানুষ। এর মধ্য দিয়ে, বিশ্বের ৩২তম দেশ হিসেবে নিউক্লিয়ার ক্লাবের সদস্য এখন বাংলাদেশ।

0 / 5. 0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *